বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পেশ করা হয়েছে এবং শিক্ষা খাতকে এতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে যথাক্রমে ৬৩ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকার শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্ধের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

কারিগরি শিক্ষাকে নতুন মাত্রা যোগ করা হয়েছে। স্কিল আপ বাংলাদেশ প্রকল্পে ৪,৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং ২৫টি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আরও ২,২০২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে তোলার পাশাপাশি বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতা বিচারে সহায়ক হবে।

নতুন পাঠ্যক্রমে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের নতুন পাঠ্যক্রমের ছাত্রছাত্রীরা প্রথমবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে নতুন পদ্ধতি আনা হয়েছে।

প্রাথমিক স্তরেও উদ্যোগ কমেনি। দেশজুড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার বিতরণ করেছেন। ২০২৬ সালে গোটা দেশে শিক্ষা পাঠ্যপুস্তকের হালনাগাদ সংস্করণ বিতরণ করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের দিন-পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়ক হবে।

বাজেটের মধ্যে ওন্লাইন শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ডিজিটাল শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম এবং উদ্ভাবনী শিক্ষাপদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এছাড়া গবেষণা ও শিল্প-বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা বৃদ্ধি করে গবেষণামূলক শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সংবাদের উৎস: দ্য ডেইলি স্টার, প্রথম আলো, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), প্রথম আলো

শেয়ার করো: Facebook Telegram WhatsApp