nokia 5g: Nokia G42 5G Specs, Launch Date 2026
⚠️ ডিসক্লেইমার (Disclaimer): এই নিবন্ধে উল্লেখিত Nokia G42 5G (2026) এর সমস্ত স্পেসিফিকেশন, দাম এবং লঞ্চের তারিখ বিভিন্ন গ্লোবাল লিকস, টেক রিউমার এবং নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত সূত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। অফিশিয়াল রিলিজের পর এর কিছু ফিচার পরিবর্তিত হতে পারে।
Nokia G42 5G front view 2026
Nokia G42 5G — Press Render | সূত্র: Nokia

স্মার্টফোনের বাজারে নস্টালজিয়া আর আধুনিক প্রযুক্তির এক অনন্য মেলবন্ধন ঘটাতে চলেছে নতুন nokia 5g স্মার্টফোনটি। ঢাকার ব্যস্ত রাজপথ থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের চায়ের দোকান—সবখানেই নোকিয়ার নাম শুনলে আজও এক অবর্ণনীয় ভরসা কাজ করে এদেশের মানুষের মনে। ২০২৬ সালের এই আধুনিক যুগে এসে নোকিয়া তাদের পোর্টফোলিওকে নতুন করে সাজাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববাজারে এবং বিশেষ করে বাংলাদেশে আসতে চলেছে বহুল প্রতীক্ষিত Nokia G42 5G (2026) এডিশন। সাশ্রয়ী মূল্যে প্রিমিয়াম কোয়ালিটি এবং অবিশ্বাস্য গতির ৫জি সংযোগ নিশ্চিত করতে এই ডিভাইসটি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের প্রথম পছন্দ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Nokia G42 5G কেন এত আলোচনায়?

বিগত কয়েক বছর ধরে এইচএমডি গ্লোবাল (HMD Global) তাদের নোকিয়া ব্র্যান্ডিং নিয়ে কিছুটা নীরবে কাজ করলেও, ২০২৬ সালে তারা এক বিশাল মাস্টারস্ট্রোক দিতে যাচ্ছে। Nokia G42 5G মূলত তার অবিশ্বাস্য বিল্ড কোয়ালিটি, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং সবচেয়ে বড় কথা—অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে প্রিমিয়াম সব ফিচার দেওয়ার কারণে বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রেতারা সবসময়ই এমন একটি ডিভাইস খোঁজেন যা বছরের পর বছর কোনো ল্যাগ ছাড়াই অনায়াসে ব্যবহার করা যায়। আমাদের প্রযুক্তি টিম এই ফোনের লিক হওয়া তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে অত্যন্ত আশাবাদী।

বর্তমান বাজারে মধ্যম বাজেটের ফোনে প্রায়শই কোনো না কোনো আপস বা কম্প্রোমাইজ করতে হয়। কিন্তু নতুন এই নোকিয়া ৫জি ডিভাইসটিতে প্রসেসর থেকে শুরু করে ডিসপ্লে প্যানেল—প্রতিটি বিভাগেই দেওয়া হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া। যারা প্রিমিয়াম বিল্ডের পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য সফটওয়্যার সাপোর্ট চান, তাদের জন্য এই ফোনটি একটি আদর্শ বিকল্প হতে পারে। বাংলাদেশে এই বাজেটে অন্যান্য ব্র্যান্ডের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে নোকিয়া পুরোপুরি প্রস্তুত। নতুন এই ডিভাইস সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য মোবাইল রিভিউ পেইজে চোখ রাখতে পারেন।

এছাড়াও, Nokia বাংলাদেশ এবার তাদের গ্রাহক সেবা বা বিক্রয়োত্তর সেবার মান উন্নত করার জন্য দেশজুড়ে নতুন সার্ভিস সেন্টার খোলার পরিকল্পনা করছে। ফলে ফোনটি কেনার পর সার্ভিসিং নিয়ে ব্যবহারকারীদের কোনো দুশ্চিন্তা করতে হবে না। দীর্ঘস্থায়ী সিকিউরিটি আপডেট এবং ক্লিন অ্যান্ড্রয়েড এক্সপেরিয়েন্সের কারণে এই ফোনটি বাজারের অন্য সব ডিভাইস থেকে সহজেই আলাদা করা যায়।

Nokia G42 5G back design camera 2026
Nokia G42 5G — ব্যাক ক্যামেরা ডিজাইন

Nokia G42 5G স্পেসিফিকেশন 2026 — বিস্তারিত

নিচে ২০২৬ সালের Nokia G42 5G-এর সম্ভাব্য এবং লিকড হওয়া সমস্ত টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন একটি টেবিলের মাধ্যমে তুলে ধরা হলো:

বৈশিষ্ট্যবিবরণ
📱 ডিসপ্লেExpected 6.67-inch AMOLED, 120Hz refresh rate, HDR10+, Gorilla Glass Protection
⚡ প্রসেসরLatest Flagship Chipset (Snapdragon / MediaTek Dimensity High-end)
🧠 RAM / স্টোরেজ8GB / 12GB LPDDR5 RAM, 128GB / 256GB UFS 3.1 Internal Storage
📸 মূল ক্যামেরাMulti-camera setup with OIS (Primary 50MP + 8MP Ultra-wide + 2MP Depth)
🤳 সেলফি ক্যামেরা16MP Front Facing Camera with Face Unlock
🔋 ব্যাটারি5000mAh+ with 33W/45W Fast Charging Support
💻 OSAndroid 16 (Clean UI, 3 Years of Major OS Updates)
🛡️ IP রেটিংIP68 Dust and Water Resistant (Expected)
🗓️ লঞ্চ তারিখLate 2026 (Expected)
💰 দাম (USD)To be announced (TBA)
💰 দাম (BDT)আনুমানিক ৳৩০,০০০ – ৳৫০,০০০

টেবিলটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, এই বাজেটে এত চমৎকার হার্ডওয়্যার কম্বিনেশন সত্যিই প্রশংসনীয়। এই ডিভাইসের গ্লোবাল লিকস ও ট্র্যাকিং ডেটার সর্বশেষ আপডেট সরাসরি জানতে এবং আন্তর্জাতিক রিলিজ স্ট্যাটাস দেখতে GSMArena-তে বিস্তারিত দেখুন

Nokia G42 5G ডিজাইন ও ডিসপ্লে

নোকিয়ার ফোন মানেই চমৎকার স্থায়িত্ব এবং আকর্ষণীয় ডিজাইন। Nokia G42 5G (2026) এর বডি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে পরিবেশবান্ধব রিসাইকেলড প্লাস্টিক ও গ্লাসের মিশ্রণ, যা একদিকে যেমন টেকসই, অন্যদিকে দেখতে অত্যন্ত প্রিমিয়াম। হাতে ধরলে এটি অত্যন্ত কমফোর্টেবল এবং সলিড গ্রিপ প্রদান করে। ফোনের পেছনের ম্যাট ফিনিশ ব্যাকপ্যানেলটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্মাজ বা দাগ প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। এটি মূলত নর্ডিক ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ দ্বারা অনুপ্রাণিত, যা আমাদের এই অঞ্চলের তরুণদের ফ্যাশন সেন্সের সাথে দারুণভাবে মানিয়ে যাবে।

ডিসপ্লে সেকশনে এবার নোকিয়া এক বিশাল চমক নিয়ে এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে যে এই ফোনে থাকবে একটি ১২০ হার্টজের রিফ্রেশ রেট সম্পন্ন ফুল এইচডি প্লাস AMOLED ডিসপ্লে। আপনি যখন তীব্র রোদের মাঝে ঢাকার রাস্তায় দাঁড়িয়ে রিকশার জন্য অপেক্ষা করবেন বা কোনো জরুরি মেসেজ পড়বেন, তখন এর উচ্চতর পিক ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতার কারণে স্ক্রিন দেখতে কোনো অসুবিধা হবে না। তাছাড়া ১২০ হার্টজের মসৃণ রিফ্রেশ রেটের ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্ক্রল করা বা হাই-ফ্রেম রেটের ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতা হবে একদম মাখনের মতো। রঙের সঠিক উপস্থাপনা বা কালার রিপ্রোডাকশন অসাধারণ হওয়ায় মাল্টিমিডিয়া কনজাম্পশনের জন্য এটি একটি দুর্দান্ত চয়েস হতে চলেছে।

Nokia G42 5G ক্যামেরা: রাস্তায় কেমন ছবি উঠবে?

Nokia G42 5G camera sample night photography
Nokia G42 5G — ক্যামেরা সেটআপ

আমরা যারা ছবি তুলতে পছন্দ করি, তাদের জন্য ওআইএস (OIS বা Optical Image Stabilization) প্রযুক্তির ক্যামেরা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। Nokia G42 5G-তে থাকা মাল্টি-ক্যামেরা সেটআপের সাহায্যে আপনি কাঁপনি ছাড়াই অসাধারণ স্থিরচিত্র এবং ভিডিও ধারণ করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি ঢাকার চকবাজারের রাতের ব্যস্ত আলো-আঁধারি পরিবেশের ছবি তুলতে চান, তবে এর ডেডিকেটেড নাইট মোড এবং ওআইএস প্রযুক্তি নিখুঁত ডিটেইলসহ নয়েজ-মুক্ত চমৎকার ছবি উপহার দেবে। বন্ধুদের সাথে আড্ডায় বা পারিবারিক অনুষ্ঠানে গ্রুপ ছবি তোলার জন্য এর ওয়াইড-এঙ্গেল লেন্সটিও বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

এছাড়া এর ১৬ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে চমৎকার ন্যাচারাল স্কিন টোনের সেলফি তোলা সম্ভব। প্রসেসরের উন্নত ইমেজ সিগন্যাল প্রসেসিং (ISP) ছবি তোলার পর ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার বা বোকেহ ইফেক্টকে অত্যন্ত প্রফেশনাল উপায়ে ফুটিয়ে তোলে। ভিডিওগ্রাফির জন্য এটি ১০৮০পি এবং ৪কে রেজোলিউশনে ভিডিও রেকর্ডিং সাপোর্ট করবে, যা ফেসবুক রিলস কিংবা টিকটক কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কাজকে অনেক সহজ করে দেবে। আপনি যদি আপনার ফোনের ক্যামেরা পারফরম্যান্স আরও উন্নত করতে চান, তবে আমাদের সেরা ক্যামেরা ও ইমেজ এডিটিং সম্পর্কিত অ্যাপ রিভিউও পড়ুন →

Nokia G42 5G পারফরম্যান্স ও ব্যাটারি

পারফরম্যান্সের দিক থেকে এই ফোনে কোনো আপস করা হয়নি। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ২০২৬ সালের সর্বশেষ ফ্ল্যাগশিপ গ্রেডের চিপসেট, যা ৮ জিবি বা ১২ জিবি এলপিডিডিআর৫ র‍্যামের সাথে দারুণ জুড়ি মেলাবে। আপনি যদি মোবাইলে অত্যন্ত জনপ্রিয় গেম যেমন PUBG, FreeFire বা Call of Duty খেলতে ভালোবাসেন, তবে এই ফোনে কোনো ফ্রেম ড্রপ বা ল্যাগ ছাড়াই সর্বোচ্চ গ্রাফিক্স সেটিংসে গেম উপভোগ করতে পারবেন। বাংলাদেশের প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও যাতে ফোনটি অতিরিক্ত উত্তপ্ত না হয়, সেজন্য এতে উন্নত কুলিং চেম্বার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানা গেছে। এটি মাল্টিটাস্কিংকে অত্যন্ত সহজ ও দ্রুতগতির করে তুলবে।

ব্যাটারি লাইফের ক্ষেত্রে নোকিয়া বরাবরই রাজকীয় পারফরম্যান্স দিয়ে আসছে। এই ফোনে থাকছে ৫০০০ এমএএইচ-এর একটি বিশাল ব্যাটারি। একবার সম্পূর্ণ চার্জ দিলে সাধারণ ব্যবহারে অনায়াসে দেড় থেকে দুই দিন পার করে দেওয়া সম্ভব। এমনকি হেভি গেমিং বা সারাদিন ৫জি ডাটা অন রাখার পরেও আপনাকে বারবার চার্জার খুঁজতে হবে না। দ্রুত চার্জ করার জন্য এতে থাকছে ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি, যার সাহায্যে মাত্র ৩০-৪০ মিনিটেই ফোনের অর্ধেকেরও বেশি ব্যাটারি চার্জ হয়ে যাবে। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফের কারণে এই ফোনটি বাংলাদেশের বাজারের সেরা এক প্রতিযোগী হতে চলেছে।

বাংলাদেশে Nokia G42 5G এর দাম ও পাওয়ার জায়গা

বাংলাদেশি স্মার্টফোন প্রেমীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বাজেট ও দাম। আমাদের বিশ্বস্ত সূত্র ও লিকস অনুযায়ী, বাংলাদেশে Nokia G42 5G-এর আনুমানিক দাম হতে পারে ভেরিয়েন্ট ভেদে ৳৩০,০০০ থেকে ৳৫০,০০০ টাকার মধ্যে। এটি মূলত এর ৩টি ভিন্ন র‍্যাম ও স্টোরেজ অপশনের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে। বাজেট-বান্ধব দামে প্রিমিয়াম লেভেলের পারফরম্যান্স দেওয়াই এই ডিভাইসের মূল লক্ষ্য। দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন রিটেইলার যেমন Daraz এবং অফলাইন চেইন শপ Ryans ও StarTech-এর মাধ্যমে ফোনটি বাজারে আসার সাথে সাথেই কেনা যাবে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে নো-কস্ট ইএমআই (EMI) সুবিধাও পাওয়া যাবে।

নোকিয়া ব্যান্ডের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও তাদের হার্ডওয়্যার নির্মাণের ঐতিহ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনি Nokia সম্পর্কে Wikipedia-তে পড়ুন। এটি আপনাকে ব্র্যান্ডটির প্রতি বিশ্বস্ততা ও নির্ভরযোগ্যতার কারণ বুঝতে সাহায্য করবে। আপনি যদি দেশের চলমান অর্থনীতি ও চাকরির বাজারে আইটি সেক্টরের অগ্রগতির খোঁজ রাখতে চান, তবে আমাদের নিয়মিত আপডেট করা চাকরির খবর দেখুন →

Nokia G42 5G all color variants 2026
Nokia G42 5G — সব রঙের ভেরিয়েন্ট

একই বাজেটে প্রতিযোগী ফোন: কোনটা কিনবেন?

৩০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা বাজেট রেঞ্জে ২০২৬ সালে অন্যান্য নামী ব্র্যান্ডের বেশ কিছু শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী বাজারে বিদ্যমান থাকবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো স্যামসাংয়ের এ-সিরিজের ফোন এবং শাওমির রেডমি নোট প্রো সিরিজের নতুন এডিশনগুলো। স্যামসাং যেখানে তাদের ডিসপ্লে ও ব্র্যান্ড ভ্যালুর ওপর বেশি জোর দেয়, সেখানে শাওমি চেষ্টা করে সর্বোচ্চ চার্জিং স্পিড ও হার্ডওয়্যার স্পেক্স দিতে।

তবে Nokia G42 5G এই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে এর ক্লিন এবং অ্যাড-মুক্ত স্টক অ্যান্ড্রয়েড ইন্টারফেসের কারণে। স্যামসাং বা শাওমির সিস্টেমে প্রায়শই অযাচিত ব্লোটওয়্যার বা বিজ্ঞাপন দেখা যায়, যা নোকিয়াতে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। তাছাড়া এর দীর্ঘস্থায়ী সিকিউরিটি প্যাচ আপডেট এবং মিলিটারি-গ্রেড টেকসই বডি একে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য এক অনন্য স্থানে নিয়ে যায়। যারা ঝামেলাহীন এবং নিরাপদ ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা চান, তাদের জন্য নোকিয়া বেছে নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

কে কিনবেন, কে কিনবেন না?

  • কিনুন: যারা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য স্টক অ্যান্ড্রয়েড ৫জি ফোন খুঁজছেন।
  • কিনুন: যাদের চমৎকার ডিসপ্লে এবং রাস্তায় কাঁপনি-মুক্ত ছবি তোলার জন্য ওআইএস (OIS) ক্যামেরা দরকার।
  • কিনুন: যারা প্রিমিয়াম বিল্ড কোয়ালিটির সাথে ওয়াটার ও ডাস্ট রেজিস্ট্যান্ট (IP68) নিরাপত্তা চান।
  • এড়িয়ে যান: যারা অতি দ্রুতগতির (১২০ ওয়াটের মতো) আল্ট্রা-ফাস্ট চার্জিং ছাড়া অন্য কিছু ভাবতেই পারেন না।
  • এড়িয়ে যান: যারা হেভি কাস্টমাইজড থিম ও অতিরিক্ত ওএস ফিচার ব্যবহার করতে পছন্দ করেন।

বিশেষজ্ঞ মতামত (Expert Opinion)

নোকিয়ার এই নতুন উদ্যোগকে আমরা অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছি। সিনিয়র টেক সাংবাদিক হিসেবে আমার দীর্ঘ পর্যবেক্ষণের পর আমি বলতে পারি, নোকিয়া এবার বাজারে কেবল নাম বিক্রি করতে আসেনি, বরং সত্যিকার অর্থেই একটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও সুষম ফিচার প্যাকড ডিভাইস নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছে। এর ডিসপ্লে কোয়ালিটি এবং মেটাল-প্লাস্টিক হাইব্রিড বিল্ড কোয়ালিটি একে এই প্রাইস সেগমেন্টের অন্যান্য ফোনের তুলনায় অনেক বেশি প্রিমিয়াম লুক দেয়।

তবে আমাদের বিশ্লেষণে কিছু দুর্বল দিকও উঠে এসেছে। নোকিয়া যদি চার্জিং স্পিড আরেকটু বাড়িয়ে ৪৫ ওয়াটের ওপরে নিয়ে যেত, তবে এটি আরও অনেক বেশি আকর্ষক হতো। সামগ্রিকভাবে, আপনি যদি এমন একটি স্মার্টফোন চান যা অন্তত ৩-৪ বছর কোনো রকম পারফরম্যান্স ড্রপ বা হ্যাং হওয়া ছাড়াই মসৃণভাবে চলবে, তবে Nokia G42 5G (2026) নিঃসন্দেহে একটি সেরা ও সময়োপযোগী বিনিয়োগ হবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

Nokia G42 5G বাংলাদেশে কবে আসবে?

বিশ্বস্ত লিকস ও সূত্র অনুযায়ী, Nokia G42 5G ফোনটি ২০২৬ সালের শেষ প্রান্তিকের দিকে বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হতে পারে।

বাংলাদেশে Nokia G42 5G এর দাম কত?

বিভিন্ন ভেরিয়েন্ট (যেমন ৮জিবি/১২৮জিবি এবং ১২জিবি/২৫৬জিবি) এর ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে এর আনুমানিক দাম হতে পারে ৳৩০,০০০ থেকে ৳৫০,০০০ টাকার মধ্যে।

এই ফোনটি কি গেমিংয়ের জন্য ভালো?

হ্যাঁ, এতে ব্যবহার করা হয়েছে ২০২৬ সালের সর্বশেষ শক্তিশালী ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসর এবং দ্রুতগতির GPU, যার ফলে ভারী গেমিং যেমন পাবজি বা ফ্রি ফায়ার অত্যন্ত মসৃণভাবে খেলা যাবে।

Nokia G42 5G কি পানি-প্রতিরোধী?

হ্যাঁ, প্রত্যাশা করা হচ্ছে যে এই ফোনটিতে IP68 ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিস্ট্যান্ট রেটিং থাকবে, যা একে ধুলোবালি ও আকস্মিক পানির ছিটেফোঁটা থেকে রক্ষা করবে।

অন্যান্য ৫জি ব্র্যান্ডের চেয়ে nokia 5g কেন আলাদা?

নোকিয়ার ৫জি ডিভাইসগুলো মূলত তাদের পিওর স্টক অ্যান্ড্রয়েড অভিজ্ঞতা, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ, মিলিটারি-গ্রেড টেকসই বিল্ড কোয়ালিটি এবং নিয়মিত সিকিউরিটি আপডেটের জন্য অন্য সব ব্র্যান্ড থেকে আলাদা ও নির্ভরযোগ্য।

📌 সর্বশেষ কথা: সংক্ষেপে বলতে গেলে, ২০২৬ সালে এসে Nokia G42 5G হতে চলেছে বাজেট ও প্রিমিয়াম পারফরম্যান্সের এক নিখুঁত মেলবন্ধন যা ক্রেতাদের দীর্ঘস্থায়ী সেবা নিশ্চিত করবে। আপনি কি নোকিয়ার এই নতুন নর্ডিক ডিজাইনের ফাইভ-জি ফোনটি কিনতে আগ্রহী? আপনার মূল্যবান মতামত নিচে কমেন্ট করে আমাদের জানান। আমাদের সাইটে নিয়মিত নিত্যনতুন ও এক্সক্লুসিভ টেকনিক্যাল রিভিউ ও গ্যাজেট আপডেট পেতে পেজটি এখনই বুকমার্ক করে রাখুন। ২০২৬ সালের স্মার্টফোন বাজারে নোকিয়া কি পারবে তার হারিয়ে যাওয়া রাজত্ব পুনরুদ্ধার করতে?

ট্যাগ: #Nokia#Nokia বাংলাদেশ#আপকামিং ফোন 2026#নতুন মোবাইল 2026#মোবাইল রিভিউ#মোবাইলের দাম বাংলাদেশ 2026#স্মার্টফোন
শেয়ার করো: Facebook Telegram WhatsApp